বৃষ্টির দিনে খিচুড়ির পাশে পকোড়া, সন্ধ্যায় গরম গরম চপ -তেলেভাজা খাবার যেন এ সময়ের আলাদা সুখ! তবে কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগের ভয় পিছু ছাড়ে না বলেই অনেকেই এসব এড়িয়ে চলেন। যদিও ভাজাভুজিকে একেবারে ‘স্বাস্থ্যকর’ বলা যায় না, তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে তেলের ব্যবহার অনেকটাই কমানো সম্ভব।
ঘরোয়া ভাজাভুজিতেই থাকুক স্বাদ ও স্বাস্থ্যর সমন্বয়—চলুন জেনে নিই ৫টি কার্যকরী কৌশল :
১. মিশ্রণ পাতলা রাখুন
চপ বা পকোড়ার জন্য যেসব বেসনের ব্যাটারে খাবার ডুবিয়ে ভাজেন, সেটি বেশি ঘন হলে খাবার অতিরিক্ত তেল শোষণ করে। ব্যাটার যত পাতলা হবে, তেল শোষণ ততই কমবে।
২. অল্পসিদ্ধ উপকরণ ব্যবহার করুন
বেগুন বাদে অন্যান্য সবজি বা মাংসের টুকরো আগে হালকা সিদ্ধ করে নিন। এতে খাবার তাড়াতাড়ি ভাজা যায়, ফলে তেলের ব্যবহারও কম হয়।
৩. টিস্যু বা পেপার টাওয়েল ব্যবহার করুন
ভাজা খাবার তেলমুক্ত করতে পেপার টাওয়েল বা টিস্যুর উপর ছড়িয়ে রাখুন। না থাকলে কয়েকটি টিস্যু একসঙ্গে ব্যবহার করেও তেলের পরিমাণ কমাতে পারেন।
৪. প্রয়োজন অনুযায়ী তেল নিন
একসাথে বেশি তেল দিয়ে ভাজবেন না। যতটা প্রয়োজন, ততটাই নিন। পরে দরকার হলে আরেকটু যোগ করুন।
ভাল করে গরম না হওয়া তেলে খাবার দিলে সেটি বেশি তেল টেনে নেয়। তাই তেল গরম হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। চাইলে তেলে একটু লবণ ছিটিয়ে দিলেও অতিরিক্ত তেল শোষণ কমে।
৫. পুরোনো বা পোড়া তেল ব্যবহার নয়
আগে ভাজা তেল আবার ব্যবহার করলে তা অম্বল, গলা-বুক জ্বালার সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই একবার পোড়া তেল দ্বিতীয়বার ব্যবহার করবেন না।
মাঝেমধ্যে ভাজাভুজি খেতে চাইলে আর পিছিয়ে পড়ার দরকার নেই। শুধু এই কয়েকটি সহজ টিপস মেনে চললেই তেল কম খরচে আপনি উপভোগ করতে পারেন পছন্দের ফিশ ফ্রাই, চপ, পকোড়া কিংবা শিঙাড়া—আরও সহজে!
সূত্র: আনন্দবাজার
পতাকানিউজ/এসজিএন

