ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার, ৬ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস এ আদেশ দেন।
সুদীপ চক্রবর্তীকে ৩ দিনের রিমান্ড শেষে আজ আদালতে হাজির করে বাড্ডা থানা পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। সুদীপ চক্রবর্তীর পক্ষে জামিনের আবেদন করা হয়। আদালত জামিন আবেদন নামাজের করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালতের বাড্ডা থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই কামাল হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে গত রবিবার সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাকে আদালতের নির্দেশে ৩ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়।
গত ২৬ এপ্রিল বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে উত্তর বাড্ডা থেকে আটক করে বাড্ডা থানার হেফাজতে নেয়া হয় সুদীপ চক্রবর্তীকে। পরদিন তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
গত ২৬ এপ্রিল রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় নিজ বাসায় ঢাবি শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় একটি চিরকুট পাওয়া যায়। সেখানে লেখা ছিল, ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো। স্যারের দেয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া…’।
পরে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে তার বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে সুদীপ চক্রবর্তীকে আসামি করে মামলা করেন।
পতাকানিউজ/এএ/আরবি

