যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল নিয়ে নিতে পারে এবং তাদের তেলের বড় হাব খারগ দ্বীপও দখল করতে পারে। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এমন মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্স ডোনাল্ড ট্রাম্প।
অপরদিকে, এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের মি. ট্রাম্প বলেছেন, ‘ইরানে সরকার পরিবর্তন করতে পেরেছে বলে যুক্তরাষ্ট্র মনে করে।’
এর আগে গত সপ্তাহে ফক্স নিউজকে তিনি বলেছেন, ‘আপনি বলতে পারেন যে সরকার পরিবর্তন হয়েছে, কারণ তাদের (আগের নেতাদের) হত্যা করা হয়েছে’।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ‘দেশটির পূর্বাঞ্চলের দিকে আসা পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা প্রতিহত করতে পেরেছে।’
তবে, এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি-না তার বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
পোপ লিও চতুর্দশ ভ্যাটিকানে পাম সানডে উপলক্ষে কথা বলার সময় আমেরিকা ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের বিষয়ে জড়িত নেতাদের সমালোচনা করেছেন।
তিনি বলেছেন, ‘যারা যুদ্ধ শুরু করে এবং যাদের হাত রক্তে ভরা, তাদের প্রার্থনা ঈশ্বর গ্রহণ করেন না’।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, তিনি দক্ষিণ লেবাননে ‘সিকিউরিটি জোন’ আরও বড় করার জন্য সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন।
‘কেন খারগ দ্বীপ দখলের চিন্তা’
যুক্তরাষ্ট্র খারগ দ্বীপে নজর দিয়েছে কারণ এটি ইরানের সবচেয়ে বড় তেল টার্মিনাল, যা ইরানের অর্থনীতির লাইফ লাইন।
দ্বীপটি দখল করলে শুধু ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ হবে না বরং এখান থেকে ইরানের মূল ভূখণ্ডে হামলা চালানোর সুযোগও পাওয়া যাবে।
বিবিসির সিকিউরিটি ব্রিফের নিরাপত্তা বিশ্লেষক মিকি কে বলেন, দ্বীপটি দখল করলে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর এর প্রধান একটি আয়ের উৎস বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে, যা তাদের যুদ্ধ চালানোর ক্ষমতাকেও প্রভাবিত করবে।
স্কুল অব ওয়ার পডকাস্টের উপস্থাপক এবং সিবিএস- এর জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক অ্যারন ম্যাকলিন বলেন, দ্বীপটি দখলের জন্য যে কোনো মার্কিন অভিযান তুলনামূলকভাবে ছোট হবে, কিন্তু এটি হবে চ্যালেঞ্জিং।
বিবিসি
পতাকানিউজ/আরবি

