বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন আজ শুক্রবার, ২৪ জুলাই পদত্যাগ করতে পারেন। বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপতির মুখপাত্র।
মুখপাত্র জানান, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে জমা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কার্যকর হবে।
এদিকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নির্ধারিত সময়ের দুদিন আগেই আজ শুক্রবার দুপুরে দেশে ফিরছেন। তিনি দেশে ফিরলে রাষ্ট্রপতি তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগপত্র জমা দেন স্পিকারের কাছে। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদত্যাগ, মৃত্যু বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হয়। সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীই নির্বাচিত হওয়ার কথা।
২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন ৭৬ বছর বয়সী মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
এর আগে পদত্যাগ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেছেন, রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিকভাবে স্বাস্থ্যগত কারণে অথবা যে কোনো কারণে পদত্যাগ করতে চাইলে সেটা অপশন আছে, তবে পদত্যাগের বিষয়ে আমরা জানি না।
পদত্যাগের ব্যাপারে সরকারের পদক্ষেপ কি জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের কোনো পদক্ষেপ এখানে নেই। গণমাধ্যমে ‘পদত্যাগের গুজন শোনা যাচ্ছে’ লেখা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করতে চেয়েছেন কি না- প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, সেটা উনাকে (রাষ্ট্রপতি) জিজ্ঞেস করতে হবে। তিনি চিকিৎসার জন্য কিছুদিন আগে বিদেশে গিয়েছিলেন।
পতাকানিউজ/আরবি

