তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল টাইগাররা। তাওহীদ হৃদয় ও শামীম হোসেনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ভর করে ১২ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটের সহজ জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা।
এদিকে এ জয়ের মাধ্যমে একটি রেকর্ড করেছে ফিল সিমন্সের শিষ্যরা। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার কীর্তি গড়লো বাংলাদেশ।
এর আগে কিউইদের বিপক্ষে আগের সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড ছিল ১৩৫। ২০২৩ সালে নেপিয়ারে এ রান তাড়া করে ৫ উইকেটের জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ।
সোমবার, ২৭ এপ্রিল চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেনেন্যান্ট শহীদ মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানা বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় কিউইরা।
ব্যাটিংয়ে দুই ফিফটিতে ১৮২ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় নিউজিল্যান্ড। সমান ৫১ রানের ইনিংস খেলেন দুই ফিফটিয়ান কেটেন ক্লার্ক ও ড্যান ক্লেইভার। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন লেগস্পিনার রিশাদ হোসেন।
১৮৩ রানের লক্ষ্যে শুরুটা দেখে-শুনে করেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান। দুজনে মিলে গড়েন ৪১ রানের জুটি। সাইফের ১৭ রানের বিপরীতে ২০ রানে ফেরেন তানজিদ তামিম। আরেক ওপেনার তানজিদ করেন ২৫ বলে ২০ রান। মাঝে ১৫ বলে ২১ রানে থামেন দলনেতা লিটন দাস।
১০.১ ওভারে ৭৭ রান তুলতে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ দল। চতুর্থ উইকেটে দলের ভরসা হয়ে দাঁড়ায়। তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ হোসেন ইমনের আগ্রাসী ব্যাটিং মাত্র ১৪ বলে ২৮ রান করে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান ইমন।
শামীম হোসেন পাটোয়ারিকে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে তাওহীদ হৃদয়ের গড়া জুটি ছিল দুর্দান্ত। মাত্র ১৯ বলে ৪৯ রানের পার্টনারশিপ গড়েন হৃদয়-শামীম। তাতেই জয় নিশ্চিতে করে স্বাগতিক বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন তাওহীদ হৃদয়।
মাত্র ২৯ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি দুটি চার ও তিনটি ছয়ে সাজানো। আর মাত্র ১৩ বলে তিনটি চার ও দুটি ছয়ে ৩১ রানের একটি ক্যামিও ইনিংস খেলেন শামীম।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে দুটি উইকেট পেয়েছেন ইশ সোধি। আর একটি করে উইকেট নেন নাথান স্মিথ ও জশ ক্লার্কসন।
প্রথম টি-টোয়েন্টির সংক্ষিপ্ত স্কোর :
বাংলাদেশ ১৮ ওভারে ১৮৩/৪ (শামীম ৩১, হৃদয় ৫১; সাইফ ১৭, লিটন ২১, তানজিদ ২০, পারভেজ ২৮)
নিউজিল্যান্ড ২০ ওভারে ১৮২/৬ (স্মিথ ২, ক্লার্কসন ২৭; রবিনসন ০, ক্লিভার ৫১, ক্লার্ক ৫১, জ্যাকবস ১, ফক্সক্রফট ৩, কেলি ৩৯)
ফল : বাংলাদেশ ৬ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা : তাওহীদ হৃদয়।
পতাকানিউজ/আরবি

