ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গভীর রাতে রেললাইনে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার, ১২ নভেম্বর পৌনে দুইটার দিকে সদর উপজেলার দুবলা (আখাউড়া-চিনাইর সড়কের পাশে) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এতে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। চট্টগ্রামগামী তুর্ণানিশিথা পাঘাচং ও একই পথের বিজয় এক্সপ্রেস ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে আটকা পড়ে। আধাঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

আখাউড়া রেলওয়ে থানার ওসি এস এম শফিকুল ইসলাম রাত সোয়া তিনটার দিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্বৃত্তরা রেললাইনের উপর প্লাস্টিকের পাইপে আগুন লাগিয়ে দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যদের নিয়ে তিনি সেখানে ছুটে যান। তবে এরই মধ্যে দুষ্কৃতিকারীরা পালিয়ে যায়। ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক আছে।
ফেনী
দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে বাসের ভেতরের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বুধবার, ১২ নভেম্বর রাত ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর মহিপাল পল্লী বিদ্যুৎ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহিপাল ফ্লাইওভারের দক্ষিণাংশে পল্লী বিদ্যুৎ সংলগ্ন এলাকায় মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে দাঁড়িয়ে থাকা ফেনী-চট্টগ্রাম সড়কে চলাচলরত রনি-রানা পরিবহনের একটি বাসে হঠাৎ কে বা কারা আগুন ধরিয়ে দেয়। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
মোজাম্মেল হোসেন নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘এখানে প্রতিদিন সন্ধ্যায় সড়কের পাশে গাড়িগুলো পার্কিং করে চালকরা বাড়িতে চলে যান। রাত ৯টা ৫০ মিনিটে আকস্মিক আশপাশের মানুষের শোর চিৎকারে বাড়ি থেকে বের হয়ে গাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখি। পরে সকলের চেষ্টায় পানি এনে আগুন নেভানো হয়। গাড়ির চালক বসার স্থানসহ সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

ফেনী ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবদুল মজিদ বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই স্থানীয়রা আগুন নিভিয়েছে। আগুনে বাসের ভেতরে সামনের অংশ পুড়ে গেছে। এটি নাশকতা হতে পারে।’
ফেনী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যায়। এটি নাশকতার অংশ কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
পতাকানিউজ/বিপিবি/এএএম/এমওয়াই

