বগুড়ার ধুনট উপজেলায় মানসিক ভারসাম্যহীন নাতির লাঠির আঘাতে সঞ্জব আলী শেখ (৬৫) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এসময় গ্রামবাসি সুলতান মাহমুদকে (৩৫) আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
নিহত সঞ্জব আলী উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের ইয়াজ উদ্দিনের ছেলে।
গ্রেপ্তার সুলতান মাহমুদ গোবিন্দপুর গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে। সে নিহত সঞ্জব আলীর প্রতিবেশি নাতি।
এদিকে এ ঘটনায় শুক্রবার, ৬ মার্চ সকালে নিহতের ছেলে আব্দুল মোমিন বাদী হয়ে সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
আজ দুপুরে ধুনট থানা থেকে আদালতের মাধ্যমে সুলতান মাহমুদকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুলতান মাহমুদ দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন (পাগল)। পরিবার তার চিকিৎসা করেও সুস্থ করতে পারেনি। মাঝে মধ্যে পাগলামির মাত্রা বেড়ে গেলে পরিবারের লোকজন সুলতান মাহমুদকে শিকলবন্দি করে রাখে।
গত বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎ করেই সুলতানের পাগলামি বেড়ে যায়। এসময় সঞ্জব আলী বাড়ি থেকে কৃষি কাজের উদ্দেশে মাঠের দিকে রওনা হন। পথিমধ্যে সুলতান মাহমুদের বাড়ির কাছের রাস্তায় পৌছালে সুলতান উত্তেজিত হয়ে লাঠি দিয়ে সঞ্জব আলীর মাথায় আঘাত করে। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিন সন্ধ্যা ৬টায় তার মৃত্যু হয়।
ধুনট থানার ওসি আতিকুল ইসলাম বলেন, আসামি সুলতান মাহমুদকে কারগারে পাঠানো হয়েছে। তার পরিবারের দাবি সুলতান মাহমুদ মানসিক ভারসাম্যহীন । বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পতাকানিউজ/পিএম/আরবি

