নির্বাচন সামনে রেখে রাজধানী ঢাকাসহ দেশজুড়ে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে টার্গেট কিলিং। প্রকাশ্যে গুলি, কুপিয়ে হত্যা, অপহরণের পর খুন—সব মিলিয়ে ভয়াবহভাবে অস্থির হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন—আন্ডারওয়ার্ল্ড, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা আর লুট হওয়া অস্ত্র—সব মিলে তৈরি হয়েছে এক দুঃশ্চিন্তার চক্র।
“নির্বাচন ঘিরে বাড়ছে টার্গেট কিলিং—অস্ত্র, আন্ডারওয়ার্ল্ড, রাজনৈতিক উত্তাপ” ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা—দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে নেই হত্যাকাণ্ড। ফিল্মি স্টাইলে গুলি, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা, অপহরণের পর লাশ উদ্ধার—সবকিছুই যেন প্রতিদিনের খবর হয়ে গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র বলছে—এই টার্গেট কিলিংয়ে ব্যবহৃত হচ্ছে প্রশিক্ষিত ভাড়াটে খুনি।
এদের পেছনে রয়েছে আন্ডারওয়ার্ল্ডের গ্রুপ, রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী চক্র ও স্থানীয় আধিপত্যবাজরা। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবশ্য দাবি করেছেন—নির্বাচনের আগে কোনো ধরনের আইনশৃঙ্খলা অবনতি হবে না। তার ভাষায়, গত দেড় বছরে পরিস্থিতি আরও ভালো হয়েছে। কিন্তু বাস্তব চিত্রটি ভিন্ন কথা বলছে। মাত্র ২০ দিনে দেশজুড়ে কমপক্ষে ৩৮টি খুনের ঘটনা—এক ভয়াবহ পরিসংখ্যান। সবশেষ ২৭ নভেম্বর পাবনার ঈশ্বরদীতে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষের সময় এক যুবককে প্রকাশ্যে গুলি ছুঁটতে দেখা যায়।

