মৌসুম শুরুর অনেক আগেই টেকনাফের বাজারে মিলছে কাঁচা আম। বিক্রিও হচ্ছে চড়া দামে। দেখতে মনোলোভা এসব কাঁচা আম অনেকেই শখ করে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। আবার আগাম বাজারে আসা আম দেখার জন্য উৎসুক জনতার ভিড়ও করছেন।
কবির ভাষায় ‘ফাল্গুন বিকশিত কাঞ্চন ফুল-ডালে ডালে পুঞ্জিত আম্র মুকুল’ সেই পরিস্থিতি এখন আর নেই। কালের বিবর্তনে এবং জলবায়ুর পরিবর্তনে কয়েক মাস আগেই ঢাউস সাইজের নাদুস-নুদুস আম বাজারে হাজির হয়েছে।
টেকনাফ স্টেশনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কাঁচা আম বিক্রি করছেন মোহাম্মদ শাকের (২৮)। তিনি টেকনাফ পৌরসভার পুরাতন পল্লান পাড়ার আবুল কালামের ছেলে। প্রতি কেজি কাঁচা আম বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা দামে। স্থানীয় লোকজন এই জাতের আমকে বলেন বুকসেলাই আম।
আম বিক্রেতা মোহাম্মদ শাকের বলেন, ‘বাহারছড়া ইউনিয়নের বড়ডেইল এলাকায় স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে বিক্রির জন্য ১টি গাছ থেকে ১৬০টি (২০ কেজি) কাঁচা আম বাজারে এনেছি। ৬ থেকে ৮টি আমে এক কেজি হয়েছে। আমের এই জাতটি স্থানীয় জাতের। প্রতি বছরে ৩বার আম ফলন হয়। এই আম রসালো, সুস্বাদু ও মিষ্টি। কোনো আঁশ নেই। তাই চাহিদাও বেশ। এই আমের কোন নাম না থাকায় আমরা স্থানীয় জাতের আম বলেও বিক্রি করি। প্রতি কেজি আম ৪০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এ গাছে এক বছরে তিন মাস পর পর মুকুল আসতে থাকে। প্রতি বছরে তিন বার আমের ফলন হয়।’
উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোহাম্মদ শফিউল আলম কুতুবী জানান, ‘অবিশ্বাস্য হলেও এই শীতে টেকনাফের বাজারে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা আম। তাও আবার চড়া মুল্যে। উপজেলায় ১৪০ হেক্টর জমিতে আমের চাষাবাদ হয়েছে। আমের এই জাতটি স্থানীয় জাতের। প্রতি বছরে ৩বার আম ফলন হয়। এই আম রসাল, সুস্বাদু ও মিষ্টি। কোনো আঁশ নেই। তাই চাহিদাও বেশি’।
পতাকানিউজ/এমজেডসি/কেএস

