সবসময় আলোচনায় থাকা হিরো আলম রাজনৈতিক মঞ্চে আবারও দিলেন চমক। সম্প্রতি গণমাধ্যমকে তিনি বলেছিলেন, গোপালগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচন করতে চান এই কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। এক বক্তব্যে হিরো আলম বলেন, ‘আমি দুই আসনে নির্বাচনে লড়ব। একটা বগুড়া-৪, আরেকটা ঢাকা-১৭। তবে জনগণ যদি সাহস দেয় তাহলে শেখ হাসিনার আসনেও প্রার্থী হতে চাই।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে হিরো আলম লেখেন, ‘জনগণ সাহস দিলে গোপালগঞ্জ শেখ হাসিনার আসনে নির্বাচন করতে চাই। কি গোপালগঞ্জের লোক ভোট দেবেন তো?’ তিনি আরও বলেন, তার রাজনীতি করার মূল লক্ষ্য জনগণের সেবা করা। তিনি বিশ্বাস করেন, গোপালগঞ্জের মানুষও যদি তাকে ভালোবাসা ও সমর্থন দেন তবে তিনি পরিবর্তনের বার্তা দিতে পারবেন।
দুই আসনে নির্বাচন করতে চাওয়ার কারণ হিসেবে হিরো আলম বলেন, ‘এর আগেও দুই আসন থেকে আমি নির্বাচন করেছি। এই আসনগুলোর মানুষের সঙ্গে আমার আলাদা সম্পর্ক আছে।
ঢাকা-১৭ আসনে হিরো আলমের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বেশ কিছু শক্ত প্রার্থীর সঙ্গে। এ আসনের অন্যতম আলোচিত প্রার্থী আন্দালিব রহমান পার্থ, যিনি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ, এনসিপিসহ আরও কয়েকটি দলের প্রার্থীরাও এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
অন্যদিকে, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বিএনপি থেকে মোশারফ হোসেনকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এখানেও একাধিক দলের প্রার্থী থাকার কথা জানা গেছে। হিরো আলম সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়েছেন।
এর আগে হিরো আলম ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাইয়ে প্রার্থিতা বাতিল হলেও পরে আদালতের আদেশে তা ফিরে পান এবং ‘সিংহ’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে ভোটের দিন কারচুপির অভিযোগ তুলে তিনি নির্বাচন বর্জন করেন।
এরপর, ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান ফারুকের মৃত্যুর পর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে অংশ নেন হিরো আলম। ওই সময় ভোটের দিন একটি কেন্দ্রে তার ওপর হামলা করা হয়।
পতাকানিউজ/এমওয়াই

