শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় জামায়াত নেতা মাওলানা রেজাউল করিম (৪০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঝিনাইগাতী থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলায় ২৩৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৭৩৪ জন।
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মাহমুদুল হক রুবেলকে মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে।
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি রাতে ঝিনাইগাতী থানায় মামলাটি করেন নিহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের স্ত্রী মার্জিয়া।
ঝিনাইগাতী থানার ওসি মো. আবুল হাসেম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে মামলায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার হয়নি বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার আমির মাওলানা মো. হাফিজুর রহমান জানান, গত ২৮ জানুয়ারি বুধবার ঝিনাইগাতী উপজেলায় নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে সংঘর্ষের সময় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমকে হত্যার ঘটনায় এ মামলা করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ জানুয়ারি শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
পতাকানিউজ/ডিএসআর/আরবি

