শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল (৫২) মারা যাওয়ার কারণে ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আইন অনুযায়ী কোনো বৈধ প্রার্থী মারা গেলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচন স্থগিত রাখা হয়। বিষয়টি নিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন দেওয়া হবে।’
নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচনের আগে কোনো প্রার্থীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করার বিষয়ে বাংলাদেশের আইনে সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর আলোকে প্রার্থীর মৃত্যুসংক্রান্ত বিষয়ে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭-এর ১ উপ-ধারায় বলা হয়েছে, যদি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর এবং ভোটগ্রহণের আগে কোনো বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করেন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল বা স্থগিত করতে হবে।
প্রার্থীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা একটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম বাতিলের ঘোষণা দেবেন।
সংশ্লিষ্ট আসনে নতুন করে নির্বাচনের জন্য পুনরায় তফসিল ঘোষণা করা হবে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি রাত ৩টায় ময়মনসিংহের একটি হাসপাতালে মারা যান ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে ভুগছিলেন। ওইদিন রাত ১০টায় হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।
শেরপুর জেলা জামায়াতের আমির হাফিজুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর ফেসবুক পেজেও পোস্ট দেয়া হয়েছে।
এদিকে আজ দুপুরে শেরপুর শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক সংলগ্ন পৌর ঈদগাহ মাঠে তার প্রথম জানাজা ও বিকেল ৫টায় শ্রীবরদী সরকারি কলেজ মাঠে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
পতাকানিউজ/আরবি

