ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রার্থীর মৃত্যুতে বাতিল হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন পেয়েছেন মাসুদুর রহমান মাসুদ। তিনি দলীয় প্রার্থী মৃত নুরুজ্জামান বাদলের ছোট ভাই।
রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা জামায়াতের আমির হাফিজুর রহমান।
মাসুদুর রহমান জেলা জামায়াতের ব্যবসায়িক শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক। মারা যাওয়া প্রার্থী বাদল জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ছিলেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মাসুদুর রহমান একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য। তিনি এলাকায় রড-সিমেন্টের ব্যবসা করতেন। পাশাপাশি বড়ভাই নুরুজ্জামান বাদলের সঙ্গে জামায়াতের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। বাতিল হওয়া নির্বাচনে বড়ভাইয়ের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে মাঠে তৎপর ছিলেন তিনি। বড়ভাইয়ের মৃত্যুর পর তিনি আলোচনায় উঠে আসেন।
জেলা জামায়াতের আমির হাফিজুর রহমান জানান, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে শেরপুর-৩ আসনে নুরুজ্জামান বাদলের সহোদর মাসুদুর রহমান মাসুদের নাম সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রে পাঠানো হয়। পরে কেন্দ্র থেকে তার মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।
এর আগে ৩ ফেব্রুয়ারি শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা যান। এতে এ আসনের নির্বাচন প্রথমে স্থগিত ও পরে বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। আগামী ৯ এপ্রিল নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করে তফসিল ঘোষণা করা হয়। তবে প্রয়োজন না থাকায় এ আসনে গণভোট হবে না।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২ মার্চ রিটার্নিং অফিসার বা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। ৫ মার্চ শেষ হবে মনোনয়নপত্র বাছাই। রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৬ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত আপিল ও ১১ মার্চ আপিল নিষ্পত্তি হবে। পরে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে ১৪ মার্চ। পরের দিন ১৫ মার্চ দেয়া হবে প্রতীক বরাদ্দ। তবে আগের বৈধ প্রার্থীদের নতুন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে না।
পতাকানিউজ/ডিএসআর/আরবি

