ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের ৪৯ জনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ক্ষমতাসীন বিএনপির ৩৬ জন, তাদের সঙ্গে থাকা স্বতন্ত্র জোটের একজন এবং জামায়াত জোটের ১২ জন প্রার্থী রয়েছেন।
বুধবার, ২৯ এপ্রিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন।
ইসির তফসিল অনুযায়ী, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল। নির্বাচন ১২ মে। তবে জোটগুলোর একাধিক প্রার্থী না থাকায় সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে পারেন।
বিএনপির ৩৬ বৈধ প্রার্থীরা হলেন- সেলিমা রহমান, শিরীন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, মোসা. ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জীবা আমিনা খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা। একইসঙ্গে বিএনপির সঙ্গে থাকা স্বতন্ত্র জোটের প্রার্থী হিসেবে ছাত্রদলের সাবেক (শ্রাবণ-জুয়েল কমিটির) সহ-সভাপতি সুলতানা জেসমিন জুঁই-এর মনোনয়ন বৈধতা পায়।
জামায়াত জোটের ১২ বৈধ প্রার্থী হলেন-নুরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, ইঞ্জি. মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান ও ইঞ্জি. মাহবুবা হাকিম।
এছাড়া স্বতন্ত্র জোটের বৈধ প্রার্থী হচ্ছেন সুলতানা জেসমিন।
এদিকে যাচাই-বাছাইয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া কোনো দল বা জোটের সমর্থন না থাকায় তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়।
অপরদিকে, নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র গ্রহণের জন্য আদালত নির্দেশ দিলেও রায় এখনো হাতে না পাওয়ায় কার্যক্রম শুরু করেনি ইসি।
পতাকানিউজ/আরবি

