বগুড়ায় টানা তিন দিন ধরে কুয়াশার কারণে সূর্যের মুখ দেখা মিলছে না। উত্তরের হিমেল বাতাস আর কনকনে শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে জনজীবন।
বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আজ সকাল ৯টায় বগুড়ায় ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করে আবহাওয়া অফিস, যা চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন।
এর আগে বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রতিদিন কমছে তাপমাত্রা। এতে দিনভর সূর্যের দেখা মেলেনি। কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিল জেলা। ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়েছে।
আজ, বৃহস্পতিবার দুপুরে কিছু সময়ের জন্য হালকা সূর্যের দেখা মিললেও পরক্ষণেই তা মিলিয়ে যায়। উত্তরের হিমেল বাতাসে বগুড়ায় কনকনে শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কুয়াশায় ঢাকা চারদিক। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষ খুব একটা বাইরে বের হচ্ছেন না।
কুয়াশার সঙ্গে হিমেল বাতাস শীতের তীব্রতা আরও বাড়িয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। কুয়াশার কারণে সড়কে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে।
এদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহরের ফুটপাত ও বিভিন্ন মার্কেটে গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে ভিড় বেড়েছে। সব শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রয়োজন অনুযায়ী গরম পোশাক কিনছেন।
রিকশাচালক আকবর মিয়া জানান, হঠাৎ করেই কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা বেড়ে গেছে। সকালে কুয়াশার কারণে সড়কে কিছুই দেখা যায় না। দুদিন ধরে সূর্যেরও দেখা নেই। এতে যাত্রী কমে গেছে।
বগুড়া আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক শাহিদুজ্জামান সরকার জানান, উত্তরের হিমেল বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। আজ জেলায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন। সামনে তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
পতাকানিউজ/পিএম/আরবি

