বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের বক্তব্য বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, এ অভিযোগে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে সেনাবাহিনী।
বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি একটি উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার, যা সেনাবাহিনী ও জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা।
সোমবার, ৬ অক্টোবর সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ‘In Aid to Civil Power’–এর আওতায় মাঠে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আইনগত দিক ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আয়োজিত একটি গবেষণা উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বক্তব্য দেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সেনাবাহিনীর কার্যক্রম আরও উন্নত করার লক্ষ্যে আয়োজিত একটি গবেষণা উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে ‘In Aid to Civil Power’ সংক্রান্ত আইন ও বাস্তব চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে সেনাপ্রধান আইনগত প্রেক্ষাপটে CrPC–এর ১২৭–১৩২ ধারা এবং সেনা সদস্যদের আইনগত দায়মুক্তি (Indemnity) বিষয়ে মন্তব্য করেন।
সেনাপ্রধান বলেন, মাঠে দায়িত্ব পালনকারী সেনাসদস্যদের আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।
তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ব্যক্তি ওই বক্তব্য বিকৃতভাবে প্রচার করে দাবি করছেন, সেনাপ্রধান মানবতা বিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের দায়মুক্তি দেওয়ার পক্ষে কথা বলেছেন—যা সম্পূর্ণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিদেশে অবস্থানরত একটি কুচক্রী মহল ইচ্ছাকৃতভাবে সেনাপ্রধানের বক্তব্য বিকৃত করে সেনাবাহিনী ও জনগণের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করার চেষ্টা করছে। সেনাবাহিনী বিষয়টির নিন্দা জানিয়ে জনগণকে এ ধরনের ভুয়া তথ্যের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে, তারা সংবিধান, রাষ্ট্রের আইন ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে।
পতাকানিউজ/এআই

