শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে আজ শনিবার, ২০ ডিসেম্বর একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। বিদেশে বাংলাদেশি মিশনগুলোতেও একই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার কথা জানান।
শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সিঙ্গাপুর থেকে ওসমান হাদির মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায়। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। বিমানবন্দর থেকে মরদেহ সরাসরি ফ্রিজিং ভ্যানে করে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের হিমঘরে নেওয়া হয়।
ইনকিলাব মঞ্চ জানিয়েছে, আজ শনিবার সকালে মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে নেওয়া হবে। বাদ জোহর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হন শরিফ ওসমান হাদি। প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে পরিবারের সিদ্ধান্তে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পতাকানিউজ/এআই

