ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে শোক, ক্ষোভ ও প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানীর শাহবাগ। দাফন শেষে শনিবার বিকেল থেকে সেখানে অবস্থান নিয়েছেন হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ। এ সময় ‘হাদি, হাদি’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
এ সময় জানাজায় অংশ নেওয়া বক্তারা হাদির হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান। পাশাপাশি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী পদত্যাগ না করলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তারা। ব্যানার, ফেস্টুন ও গানে উঠে আসে হাদির সংগ্রামী জীবনের নানা দিক।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদসংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিসৌধের পাশে শরিফ ওসমান হাদিকে দাফন করা হয়। এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, শিক্ষাবিদ ও হাদির স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
দুপুর আড়াইটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে লাখো মানুষ অংশ নেন। জানাজায় ইমামতি করেন হাদির বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগের সময় চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে গুলি করা হয় শরিফ ওসমান হাদিকে। মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। সেখানে ১৮ ডিসেম্বর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
পতাকানিউজ/এআই

