বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে সামনে রেখে তার নিরাপত্তা ও আনুষ্ঠানিক আয়োজনের প্রস্তুতি হিসেবে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল।
বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইটে বাংলাদেশ বিমানের একটি উড়োজাহাজে করে তারেক রহমান দেশে ফিরবেন। ওই ফ্লাইটের ঢাকায় অবতরণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বেলা ১১টা ৫৫ মিনিট। ‘১২টা বলা যায়’, যোগ করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও সংবর্ধনা কমিটির সদস্যসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এবং বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল।
তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনাকে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মানুষের উপস্থিতিও হবে স্মরণীয়। তার ভাষ্য, ‘আমরা চাই তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন বিগত ৫৫ বছরের সব দৃষ্টান্ত ছাড়িয়ে যাক। এমনভাবে দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে চাই, যেন আগামী ৫৫ বছরেও এমন আরেকটি ঘটনা না ঘটে। সারা দেশের মানুষ এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করছে।’
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে তারেক রহমান দেশে ফিরছেন উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেওয়া একজন নেতাকে দেখতে মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা রয়েছে। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে দীর্ঘ ১৬–১৭ বছর ধরে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিয়েছেন, যার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রকে মুক্ত করার পথ তৈরি হয়েছে।
সংবর্ধনা কোথায় দেওয়া হবে—৩০০ ফিট এলাকায় নাকি অন্য কোনো স্থানে—এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন করা হচ্ছে। জনগণের বড় উপস্থিতি এবং তারেক রহমানকে একনজর দেখার ও বক্তব্য শোনার আগ্রহ বিবেচনায় রেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তবে জনদুর্ভোগের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি। তার মতে, চূড়ান্ত স্থান নির্ধারণ হলে তা গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
পতাকানিউজ/এআই

