৩৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ নিয়ে যাত্রা শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনী উৎসবের মধ্যেই বিদেশ থেকে উল্লেখযোগ্য হারে রেমিট্যান্স এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুাযায়ী, ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে এসেছে ১৮০ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ রেজিট্যান্স। যা গত অর্থ বছরের একই সময়ের চেয়ে ২১ শতাংশ বেশি।
তুলনামূলক হিসাবে দেখা যায়, ২০২৫ সালের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪৯ কোটি ডলার। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮০ কোটি ৭০ লাখ ডলারে। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয়ে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় বাজার থেকে ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম–৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী এই রিজার্ভের পরিমাণ ২৯ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার।
এর আগে ৭ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলার, যা আইএমএফের বিপিএম–৬ পদ্ধতিতে ২৯ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভে কিছুটা বৃদ্ধি দেখা গেছে।
নির্বাচন সামনে রেখে চলতি মাসে গড়ে প্রতিদিন ১১ কোটি ২৫ লাখ ডলার করে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচন ঘিরে গত দুই মাস ধরে প্রবাসী আয় বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশে আসে ৩১৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। ডিসেম্বর মাসে এসেছিল ৩২২ কোটি ডলার। তবে তার আগের টানা তিন মাস প্রবাসী আয় ছিল ৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে।
ব্যাংক খাতের একাধিক কর্মকর্তা জানান, সাধারণত দুই ঈদের আগে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ে। সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচনকে কেন্দ্র করেও প্রবাসী আয় বেড়েছে। যেসব দেশে বাংলাদেশি শ্রমিক ও প্রবাসীর সংখ্যা বেশি, সেসব দেশ থেকেই বেশি রেমিট্যান্স আসে। এছাড়া বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে বিদেশে তহবিল সংগ্রহের অর্থও প্রবাসী আয়ের মাধ্যমেই দেশে আসে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।
-পতাকানিউজ

