যুক্তরাষ্ট্র জার্মানি, ইতালি ও গ্রিসভিত্তিক চারটি অ্যান্টিফা সংগঠনকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, এই গোষ্ঠীগুলোকে ‘সহিংস অ্যান্টিফা নেটওয়ার্ক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আগামী ২০ নভেম্বর থেকে এগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন (এফটিও) হিসেবে ঘোষণা করা হবে।
রুবিও বলেন, ‘এসব সংগঠন বিপ্লবী অরাজকতাবাদী বা মার্কসবাদী মতাদর্শে বিশ্বাসী। তারা ‘অ্যান্টি-আমেরিকানিজম’, ‘অ্যান্টি-ক্যাপিটালিজম’ ও ‘অ্যান্টি-ক্রিশ্চিয়ানিটি’র নামে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সহিংসতা উসকে দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এদের তহবিল এবং সম্পদ বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ নেবে।’
প্রসঙ্গত, ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদে বামপন্থি সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তার প্রথম মেয়াদেও তিনি অ্যান্টিফাকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দিয়েছিলেন। গত সেপ্টেম্বরের এক নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প অ্যান্টিফাকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন।
অ্যান্টিফা একটি বিকেন্দ্রীভূত আন্দোলন, যার কোনো কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বা কাঠামো নেই। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, জার্মানভিত্তিক অ্যান্টিফা ওএসটি ২০১৮–২০২৩ সালের মধ্যে ডানপন্থি কর্মীদের বিরুদ্ধে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এছাড়া ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে বুদাপেস্টে আরও সহিংস ঘটনা ঘটিয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘোষণার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বামপন্থি সহিংস আন্দোলনগুলোর বিরুদ্ধে কড়া নীতিমালা গ্রহণের সংকেত দিয়েছে। এতে সম্ভাব্য অর্থায়ন, সম্পদ সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পথ সুগম হবে।
পতাকানিউজ/এনটি

