চা শ্রমিকদের জন্য ঘোষিত ৫ শতাংশ বার্ষিক মজুরি বৃদ্ধি প্রত্যাহার করে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন সংবাদ সম্মেলন করেছে। দাবি পূরণ না হলে আন্দোলনের কর্মসূচিতে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনের নেতারা। বৃহস্পতিবার দুপুরে শ্রীমঙ্গলস্থ বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি পংকজ কন্দ ও জেসমিন আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক ও বালিশিরা ভ্যালির সভাপতি বিজয় হাজরা, অর্থ সম্পাদক পরেশ কালিন্দী, মনু-ধলাই ভ্যালির সভাপতি ধনা বাউড়ি ও সাধারণ সম্পাদক নির্মল পাইনকা, সিলেট ভ্যালির সভাপতি রাজু গোয়ালা এবং লংলা ভ্যালির সভাপতি সাঈদুল ইসলাম।
লিখিত বক্তব্যে নৃপেন পাল বলেন, দেশের অন্যান্য শিল্প খাতের তুলনায় চা শ্রমিকদের মজুরি এখনো অত্যন্ত কম। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে বর্তমান ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে কোনো ভূমিকা রাখছে না। তাই দ্রুত নতুন নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করে বাস্তবসম্মত মজুরি নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শ্রমিক নেতারা বলেন, বর্তমানে দৈনিক ১৮৬ টাকা মজুরিতে শ্রমিকদের সংসার চালানো অসম্ভব। আগামী সপ্তাহে ৫ শতাংশ বৃদ্ধি কার্যকর হলেও শ্রমিকদের তা গ্রহণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকার বর্তমান বাজার দরের সাথে মিল রেখে মানসম্মত মজুরি নির্ধারণ না করলে চা শ্রমিকরা আন্দোলন-সংগ্রামের কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন বলেও তারা জানান।
-পতাকানিউজ/এমআরআর

