ইঞ্জিনে ক্রুটির কারণে ঢাকামুখী চট্টলা এক্সপ্রেসটি ফেনীর ফ্ল্যাটফর্মে ৬ ঘন্টা ধরে আটকে পড়ে। এসময় ট্রেনে থাকা প্রায় ৮০০ যাত্রীর মাঝে অস্বস্তি ও অস্থিরতা নেমে আসে। ঢাকায় পৌঁছা নিয়েও অনেকে অনিশ্চয়তায় পড়েন।
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল সকাল ৭ টা ৪২ মিনিটে ঢাকা-চট্রগ্রাম রেললাইনের ফেনী স্টেশনে ট্রেনটি প্রবেশ করে। পরে ইঞ্জিনের ক্রুটি সারিয়ে ৬ ঘণ্টা পর দুপুর ১ টা ১০ মিনিটে ট্রেনটি রাজধানীর দিকে রওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও জিআরপি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে ট্রেনটি ফ্ল্যাটফর্মে প্রবেশের সময় ইঞ্জিনের ‘ট্যাবলেট কভার’ থেকে ধোঁয়া বের হতে থাকে। একপর্যায়ে সহকারী লোকোমাস্টার (এএলএম) মোহাম্মদ কাওসার ইঞ্জিনের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে বলেন।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মাদ রুবাইয়াত বিন করিম বলেন, ‘ধোঁয়ায় ওই রেলকর্মীর মুখ ও শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
ফেনী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ হারুন বলেন, ‘লাকসাম থেকে একটি রিলিফ ট্রেন এসে ট্রেনটি ইঞ্জিনের সমস্যা সমাধানের পর দুপুর ১ টা ১০ মিনিটে ট্রেনটি রাজধানীর দিকে রওনা হয়। দীর্ঘক্ষণ ট্রেনটি ফেনী ফ্ল্যাটফর্মে অবস্থান করলেও বাকি দুটি লেইন সচল থাকায় অন্য ট্রেন চলতে সমস্যা হয়নি। তবে চট্টলা ট্রেনের ফেনী স্টেশনের অনেক যাত্রী টিকেট ফেরত দিয়ে বিকল্প পথে গন্তব্যে যান।’
পতাকানিউজ/এএএম/আরবি

